অনলাইন ডেস্ক
প্রিন্ট
বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট : 8:43 pm
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আলোচিত নিশাত জাহান হত্যা মামলার দ্রুত তদন্ত শেষ করে চার্জশিট দাখিল, দ্রুত বিচার সম্পন্ন এবং দোষী আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সন্ধ্যায় জেলা শহরের স্বপ্নতরী কনভেনশন হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মামলার আইনগত বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন ঢাকার সিনিয়র আইনজীবী ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জোবায়ের। এ সময় নিহত নিশাত জাহানের পরিবারের পক্ষে বক্তব্য দেন তার মা আকলিমা আক্তার ও স্বজন বাসির।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আমীর মাওলানা মোবারক হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মফিজুর রহমান বাবুল, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জুনায়েদ হাসান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বাহারুল ইসলাম মোল্লা, জেলা জামায়াতের অফিস সম্পাদক অ্যাডভোকেট মনিরুজ্জামান, কাজী সিরাজুল ইসলামসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
সংবাদ সম্মেলনে এহসানুল মাহবুব জোবায়ের বলেন, নারী ও শিশু হত্যা মামলার দ্রুত বিচারের বিষয়ে দেশের সরকার ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের অবস্থান স্পষ্ট হলেও নিশাত হত্যা মামলার তদন্তে দীর্ঘসূত্রিতা উদ্বেগজনক। তিনি বলেন, মামলার আসামি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার পরও চার্জশিট দাখিলে বিলম্বের কারণ খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। এ বিলম্বের পেছনে কোনো অদৃশ্য প্রভাব বা ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, তাও তদন্তের দাবি জানান তিনি।
তিনি তদন্ত সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার প্রতি দ্রুত চার্জশিট দাখিল করে বিচারিক কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান।
বক্তারা অভিযোগ করেন, থানা পুলিশ তদন্ত শেষ করে চার্জশিট দাখিলের পর্যায়ে পৌঁছানোর পরও মামলাটি দীর্ঘদিন ধরে অন্য সংস্থার তদন্তাধীন থাকায় বিচার প্রক্রিয়া বিলম্বিত হচ্ছে। তাদের দাবি, আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি থাকার পরও তদন্ত শেষ না হওয়ার বিষয়টি জনমনে প্রশ্ন সৃষ্টি করেছে।
সংবাদ সম্মেলন থেকে অবিলম্বে চার্জশিট দাখিল, দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলার নিষ্পত্তি এবং আইন অনুযায়ী হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়। বক্তারা বলেন, আলোচিত অন্যান্য হত্যা মামলার মতো এ মামলারও দ্রুত নিষ্পত্তি হওয়া উচিত, যাতে ভুক্তভোগী পরিবার ন্যায়বিচার পায় এবং সমাজে জঘন্য অপরাধের বিরুদ্ধে কার্যকর বার্তা পৌঁছে যায়।
এ সময় কয়েকজন বক্তা হত্যাকারীর প্রকাশ্যে ফাঁসির দাবিও জানান।
Posted ৮:৪৩ পিএম | বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬
dainiksarod | Pijush Kanti Acharya